Friction between teenagers and parents is very common. It certainly does not occur in all homes and it can certainly be avoided if parents are wise, tactful, tolerant and understanding in their dealing with their teenaged girls or boys. There are many causes of difficulties commonly found in the home. One obvious reason for friction is the transition from dependence to independence and more the parents try to control, the more rebellious they become. Another source of friction is the difficult behaviour of the adolescents. Moody, sulky, quarrelsome and obstinate behaviour and other features all lead to friction with their parents. Adolescents think for themselves. They rebel against the ways and thoughts of the older generation. Another friction is the choice of career. Sometimes a boy or a girl wants to leave school but parents force him or her to stay on. Sometimes the parents want their children to leave school but the children want to stay on in the hope of going to university.
বাংলা অনুবাদ:
কিশোর-কিশোরীদের সঙ্গে বাবা-মায়ের মতবিরোধ বা দ্বন্দ্ব খুবই সাধারণ একটি বিষয়। তবে সব পরিবারে এমন দ্বন্দ্ব দেখা যায় না এবং বাবা-মা যদি কিশোর-কিশোরীদের সঙ্গে আচরণ করার ক্ষেত্রে বিচক্ষণ, কৌশলী, সহনশীল ও বোঝাপড়াপূর্ণ হন, তাহলে এই দ্বন্দ্ব সহজেই এড়ানো যায়। পরিবারে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার অনেক কারণ রয়েছে। দ্বন্দ্বের একটি স্পষ্ট কারণ হলো অন্যের ওপর নির্ভরশীলতা থেকে স্বনির্ভরতার দিকে কিশোর-কিশোরীদের পরিবর্তন। বাবা-মা যত বেশি তাদের নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করেন, তারা তত বেশি বিদ্রোহী হয়ে ওঠে। দ্বন্দ্বের আরেকটি কারণ হলো কিশোর-কিশোরীদের কঠিন বা অস্বাভাবিক আচরণ। মেজাজ খিটখিটে থাকা, মনমরা ভাব, ঝগড়াটে ও একগুঁয়ে আচরণসহ নানা বৈশিষ্ট্য তাদের সঙ্গে বাবা-মায়ের দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করে। কিশোর-কিশোরীরা নিজেরাই নিজেদের জন্য চিন্তা করতে শেখে। তারা বয়স্ক প্রজন্মের প্রচলিত পদ্ধতি ও চিন্তাধারার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে। দ্বন্দ্বের আরেকটি কারণ হলো পেশা নির্বাচনের বিষয়। কখনো কোনো ছেলে বা মেয়ে স্কুল ছেড়ে যেতে চায়, কিন্তু বাবা-মা তাকে স্কুলে থেকে যেতে বাধ্য করেন। আবার কখনো বাবা-মা চান তাদের সন্তান স্কুল ছেড়ে দিক, কিন্তু সন্তান বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার আশায় স্কুলে থেকে যেতে চায়।
কিশোর-কিশোরীদের সঙ্গে বাবা-মায়ের মতবিরোধ বা দ্বন্দ্ব খুবই সাধারণ একটি বিষয়। তবে সব পরিবারে এমন দ্বন্দ্ব দেখা যায় না এবং বাবা-মা যদি কিশোর-কিশোরীদের সঙ্গে আচরণ করার ক্ষেত্রে বিচক্ষণ, কৌশলী, সহনশীল ও বোঝাপড়াপূর্ণ হন, তাহলে এই দ্বন্দ্ব সহজেই এড়ানো যায়। পরিবারে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার অনেক কারণ রয়েছে। দ্বন্দ্বের একটি স্পষ্ট কারণ হলো অন্যের ওপর নির্ভরশীলতা থেকে স্বনির্ভরতার দিকে কিশোর-কিশোরীদের পরিবর্তন। বাবা-মা যত বেশি তাদের নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করেন, তারা তত বেশি বিদ্রোহী হয়ে ওঠে। দ্বন্দ্বের আরেকটি কারণ হলো কিশোর-কিশোরীদের কঠিন বা অস্বাভাবিক আচরণ। মেজাজ খিটখিটে থাকা, মনমরা ভাব, ঝগড়াটে ও একগুঁয়ে আচরণসহ নানা বৈশিষ্ট্য তাদের সঙ্গে বাবা-মায়ের দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করে। কিশোর-কিশোরীরা নিজেরাই নিজেদের জন্য চিন্তা করতে শেখে। তারা বয়স্ক প্রজন্মের প্রচলিত পদ্ধতি ও চিন্তাধারার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে। দ্বন্দ্বের আরেকটি কারণ হলো পেশা নির্বাচনের বিষয়। কখনো কোনো ছেলে বা মেয়ে স্কুল ছেড়ে যেতে চায়, কিন্তু বাবা-মা তাকে স্কুলে থেকে যেতে বাধ্য করেন। আবার কখনো বাবা-মা চান তাদের সন্তান স্কুল ছেড়ে দিক, কিন্তু সন্তান বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার আশায় স্কুলে থেকে যেতে চায়।