পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে অর্থনৈতিক বৈষম্য

ভূমিকা

১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকেই পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ) ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে অর্থনৈতিক বৈষম্য একটি গুরুতর সমস্যা হিসেবে দেখা দেয়। পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকায় তারা অর্থনৈতিক সম্পদের বেশিরভাগই নিজেদের অঞ্চলে কেন্দ্রীভূত করে। ফলে পূর্ব পাকিস্তান সত্ত্বেও দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান উৎস হওয়া সত্ত্বেও উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হয়। এই বৈষম্য শুধু অর্থনৈতিকই নয়, রাজনৈতিক ও সামাজিক অসন্তোষেরও মূল কারণ হয়ে ওঠে, যা পরবর্তীতে স্বাধীনতা যুদ্ধের পটভূমি তৈরি করে। নিম্নে এই বৈষম্যের ১২টি প্রধান বৈশিষ্ট্য বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো।

অর্থনৈতিক বৈষম্যের বৈশিষ্ট্যসমূহ

উপসংহার

পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে অর্থনৈতিক বৈষম্য ছিল পাকিস্তান রাষ্ট্রের মূল দুর্বলতা। এই বৈষম্য শুধু অর্থনৈতিক শোষণই নয়, বাঙালির জাতীয়তাবাদী চেতনাকে জাগ্রত করে। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে এই বৈষম্যের অবসান ঘটায়। এই ঐতিহাসিক শিক্ষা আমাদের শেখায় যে, অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার ছাড়া কোনো রাষ্ট্র টিকে থাকতে পারে না।